চলতি জানুয়ারিতে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) গ্র্যাজুয়েশনের শর্ত হিসেবে তৃতীয় দফায় রপ্তানি খাতে প্রণোদনা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল সরকারের। তবে এলডিসি তালিকায় আরও তিন বছর থাকার বিষয় এবং রপ্তানি প্রণোদনা ঘোষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে, যা পরবর্তী উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচনা করা হবে।
৮০’র দশক থেকে দেশে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি বাড়াতে সরকার প্রণোদনা প্রদানের কার্যক্রম শুরু করে। গত পাঁচ দশকে প্রণোদনার আওতায় থাকা পণ্যের তালিকা ও বরাদ্দ উভয়ই যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের শর্ত হিসেবে বাংলাদেশকে ৪৩টি রপ্তানিমুখী খাতের প্রণোদনা কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার এই প্রণোদনা কমানোর ঘোষণা আসে ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসের জন্য। এরপর পরবর্তী এক বছরের জন্য দ্বিতীয় ধাপে আরও কমানো হয়। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার আরও ছয় মাস সময় বৃদ্ধি করে।
বাণিজ্য সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এলডিসির তালিকায় অন্তত আরও তিন বছর থাকার দাবি করা হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে চলতি বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন প্রক্রিয়া চলতি বছরের নভেম্বর থেকে স্থগিত রাখার এবং পরবর্তী দুই মেয়াদের রপ্তানি প্রণোদনা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের হাতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিএ/এসএ


