সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তিন মাস কারাভোগের পর সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট–২ থেকে তিনি ছাড়া পান।
মুক্তির পর সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেন, “শুধু অন্যায় নয়, আমার সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে। সমালোচনা করার জন্য আমাকে জেলে দেওয়া হয়েছে। এটা তো বিশাল বাটপারি। সমালোচনা কখনো কি সন্ত্রাস হতে পারে? আমি কি কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত আছি?”
আনিস আলমগীর আরও জানান, ড. ইউনূসের সমালোচনা করার পরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর দুদক দিয়ে একটি হয়রানিমূলক মামলা করা হয়। তিনি বলেন, “পুরো তিন মাস জেলে থাকতে হয়েছে। প্রথম এক মাসে অমানবিক নির্যাতন পেয়েছি। একটি রুমে ৩৫ জনের মধ্যে থাকতে হয়েছে। পরবর্তীতে পরিবেশ কিছুটা ভালো হয়েছিল।”
তিনি বর্তমান সরকারকে আইনের শাসন দ্রুত প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন এবং বলেন, “যদি এই ধরনের জুলুম চলতে থাকে, মানুষ তা ভালোভাবে নেবে না। নিরীহ লোকদের ধরে ধরে জেলে রাখা হচ্ছে। শুধু রাজনৈতিক দলের কর্মীদেরই জেল খাটানো হচ্ছে।”
আনিস আলমগীরকে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে ডিবিতে নেওয়া হয়। পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা দায়ের হয়। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ গত বুধবার জামিন মঞ্জুর করেন। এ মামলার পাশাপাশি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে থাকা আরও একটি মামলায়ও তিনি জামিন পেয়েছেন।
সিএ/এমই


