দেশে প্রথমবারের মতো গুণগত মান ও ব্যবস্থাপনায় উৎকর্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সম্মাননা পেয়েছে হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।
রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট দর্শনের প্রবর্তক এবং টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. নোরিয়াকি কানো, যিনি বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।
হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিএমডি ও সিইও মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, হেলথকেয়ার লিমিটেড পরিবারের সবার জন্য এটি অত্যন্ত গর্ব ও বিনয়ের একটি মুহূর্ত। এটি কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি নয়; এটি একটি যাত্রা এবং উৎকর্ষ, গ্রাহক সন্তুষ্টি ও গুণগত মানের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। হেলথকেয়ারে আমরা যখন গুণগত মানের কথা বলি, তখন এটি শুধু নিয়ম মেনে চলা নয়; এটি বিশ্বাসের বিষয়। আমাদের কারখানা থেকে বের হওয়া প্রতিটি ট্যাবলেট, প্রতিটি ভায়াল, প্রতিটি ডোজ একটি প্রতিশ্রুতি বহন করে- রোগী, চিকিৎসক এবং সমাজের প্রতি নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও ধারাবাহিকতার প্রতিশ্রুতি। আমরা কেবিকিউএ-এর প্রথম প্রাপক হতে পেরে গর্বিত, এবং আশা করি আমরা শেষ নই।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. নোরিয়াকি কানো। তিনি বলেন, কয়েক বছর আগে আমি প্রথম আমার নামে এই পুরস্কার চালুর কথা শুনি। দুই-তিন বছর আগে আমাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়, এবং তখন আমি ভাবি- এটি আর শুধু স্বপ্ন নয়, তারা সত্যিই এটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি এটি অব্যাহত থাকবে। পুরস্কারই লক্ষ্য নয়; এটি একটি মাইলফলক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এহসানুল হক। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
বিএসটিকিউএম-এর সভাপতি এ কে এম শামসুল হুদা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশীয় প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
সিএ/এমআর


