বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছে। পৃথক বার্তায় দেশগুলোর নেতারা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।
চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ভালো প্রতিবেশী, ভালো বন্ধু এবং ভালো অংশীদার। দুই দেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে সহযোগিতা করে আসছে। তিনি দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই দিনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-ও পৃথক বার্তায় শুভেচ্ছা জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের জনগণকে তাদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে গুরুত্ব দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোজিন এক বার্তায় বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। তিনি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জনের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আজও বাংলাদেশিরা সেই সহযোগিতা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে—এটি আমরা প্রশংসা করি।’
যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস শুভেচ্ছা বার্তায় দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন মূল্যবোধের কথা উল্লেখ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর অবদানের কথাও তুলে ধরেন।
এছাড়া পাকিস্তান, ভারত ও ইতালিও পৃথক বার্তায় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
সিএ/এমআর


