বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর বুধবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান। সকাল ৯টার আগেই তিনি মন্ত্রণালয়ে আসেন এবং দিনের কর্মসূচি শুরু করেন।
দিনের শুরুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পল কাপুর। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে। পরবর্তীতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
ঢাকায় অবস্থানকালে পল কাপুর সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। এসব আলোচনায় বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা ও পারস্পরিক বিনিয়োগের বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সন্ধ্যায় একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সফর উপলক্ষে আয়োজিত নৈশভোজেও যোগ দেবেন তিনি।
ঢাকা–ওয়াশিংটন কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে পল কাপুর মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আসেন। গত অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম বাংলাদেশ সফর। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, এ সফরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও আলোচনায় আসতে পারে।
ঢাকা–ওয়াশিংটন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে ব্যবসা–বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ভিসা নীতিসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারে থাকতে পারে। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (আর্ট) চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সরকারের প্রতি বার্তা দেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ প্রেক্ষাপটে চুক্তি সইয়ের আগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছে মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর—এ তথ্যও কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
সিএ/এএ


