ঢাকায় বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সভাপতি বদিউল আলম মজুমদার অভিযোগ করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কোনো তদন্ত না করে গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করেছে এবং তারপর নিজেদের দায়িত্ব হাত মুছে নিয়েছে।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অযোগ্য প্রার্থীরা ফলাফলের সমীকরণ পরিবর্তন করতে পারে। এ ধরনের প্রশ্ন উঠলে নির্বাচন কমিশন তদন্ত করে ফলাফল বাতিল বা নতুন নির্বাচনের নির্দেশ দিতে পারে। তবে এই নির্বাচনে কমিশন কোনো তদন্ত করেনি। এছাড়া নির্বাচনের আগে ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিক সংক্রান্ত অভিযোগও ছিল। অনেক প্রার্থী আদালত থেকে ‘স্টে অর্ডার’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সুজন কমিশনকে অনুরোধ করেছিলেন, এই অভিযোগগুলো তদন্তের পরে গেজেট প্রকাশ করা হোক। কিন্তু তা করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, এখনো আরপিওর ৯১ ধারায় সুযোগ রয়েছে। যদি হলফনামা বা অন্য কোনো বিষয়ে অভিযোগ ওঠে, গেজেট প্রকাশের পরেও কমিশন তা তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিলও করতে পারে। সুজনের তথ্যমতে নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জনের মধ্যে ১৪৭ জন ঋণগ্রহীতা, যা প্রায় ৫০ শতাংশ। ৩৬ জন পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণপ্রাপ্ত এবং ১২৬ জনই বিএনপি থেকে নির্বাচিত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় ঋণগ্রহীতার হার বেড়েছে; তখন হার ছিল ৪৫ শতাংশ।
সিএ/এমআর


