ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও গণঅধিকারের পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালের কোনো সুযোগ নেই। এটা যারা করবে জনগণ তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠবে। কেউ যদি নির্বাচন না করতে চায়, সেটি সেই দল আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। যেহেতু আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি, সবাইকে নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে। নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, সবাইকে মিলে রাষ্ট্র চালাতে হবে।’
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী বাজারে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনের ফল ভোটের দিন ঘোষণা করতে হবে। প্রয়োজনে গণভোটের ফল দুই দিন সময় নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। তবে সরকারের যদি সদিচ্ছা থাকে এবং নির্বাচন কমিশন কাজ করে, সে ক্ষেত্রে ওই দিনই ফল ঘোষণা করা সম্ভব। তবে কোনোভাবেই নির্বাচনের ফল বিলম্ব জনগণ মানবে না।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমার ফেস্টুনগুলো ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী, জামায়াতসহ কোনো প্রার্থীর ফেস্টুন ছেঁড়া হচ্ছে না। অভিযোগ শোনা যাচ্ছে, অস্ত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্বাচনের দু-তিন দিন আগে এলাকায় সন্ত্রাস করা হবে, কালো টাকার খেলা করা হবে। যারা নেতৃত্ব পর্যায়ের রয়েছে তাদের কিনে ফেলা হবে।’
সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম মিঞাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিএ/এএ


