জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানান, সম্প্রতি কয়েকজন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ক মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর একটি পক্ষ পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, এক প্রার্থীর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে মনোনয়ন বৈধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে কেউ সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারায়। সিলেটে তিনজন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দাবি করেছেন যে তিনি বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন, কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য কোনো নথি জমা দিতে পারেননি। তাই আইন অনুযায়ী মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ঘুষের অভিযোগ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, “১০ কোটি টাকা তো দূরের কথা, কেউ যদি এক টাকার ঘুষের প্রমাণ দিতে পারে, আমি সঙ্গে সঙ্গে চাকরি ছাড়ব এবং সর্বোচ্চ শাস্তি গ্রহণ করব।”
উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি সিলেট-১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী এহতেশাম হক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বৈষম্য ও দ্বৈত মানদণ্ড প্রয়োগ করা হচ্ছে। একই পরিস্থিতিতে তার মনোনয়ন বাতিল হলেও সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের মনোনয়ন বহাল রাখা হয়।
সিএ/এএ


