মাইক্রোসফটের তথ্য অনুযায়ী, স্কাউট মূলত একটি অটোপাইলটধর্মী এআই সহকারী। প্রচলিত চ্যাটবটের মতো কেবল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে এটি পটভূমিতে সক্রিয় থেকে ব্যবহারকারীর কাজের ধরণ, অগ্রাধিকার ও প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করতে পারে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নির্ধারিত কাজ বাস্তবায়নে সহায়তা করে এআই এজেন্টটি।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্কাউট বিভিন্ন দেশের সহকর্মীদের সময়সূচি বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈঠকের সময় নির্ধারণ করতে পারে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সভার আগে প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করা, সময়সীমা ঘনিয়ে এলে সতর্কবার্তা পাঠানো এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্নের জন্য কর্মপরিকল্পনা সাজানোর মতো সুবিধাও এতে যুক্ত করা হয়েছে।
এআই এজেন্টটি টিমস, আউটলুক, ওয়ানড্রাইভ ও শেয়ারপয়েন্টের তথ্য বিশ্লেষণ করে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারে। ই-মেইল, বার্তা, ক্যালেন্ডার, যোগাযোগের তথ্য ও সংরক্ষিত নথির ভিত্তিতে এটি বুঝতে পারে কোনো প্রকল্প বিলম্বিত হচ্ছে কি না কিংবা কোনো সিদ্ধান্ত দীর্ঘ সময় ধরে আটকে আছে কি না।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, স্কাউটে ‘ওয়ার্ক আইকিউ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে এটি সব সময় ব্যবহারকারীর নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করে না। প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু কাজ নিজ উদ্যোগেও সম্পন্ন করতে পারে।
ইতোমধ্যে মাইক্রোসফটের অভ্যন্তরীণ কর্মীরা প্রযুক্তিটির প্রাথমিক সংস্করণ ব্যবহার করে প্রশাসনিক কাজের চাপ কমানো, ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং দৈনন্দিন কাজের গতি বাড়ানোর মতো কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। পরীক্ষামূলক ব্যবহারে ইতিবাচক ফল পাওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত কিছু গ্রাহক এবং মাইক্রোসফটের ‘ফ্রন্টিয়ার’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্কাউট এআই এজেন্টের প্রিভিউ সংস্করণ উন্মুক্ত করা হবে।
সিএ/এমআর


