২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত সহিংস অভিযানের স্মৃতি আজও দেশের মানুষের মনে গভীরভাবে বিদ্যমান। ওই রাতে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে চালানো অভিযানকে অনেকেই ‘শাপলা গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন মহলে বিচার ও সত্য উদঘাটনের দাবি পুনরায় জোরালো হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে এই ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিয়ে বিতর্ক ছিল। তৎকালীন সরকারের সময় কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ের পরিবেশের কারণে নিহতের সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে পুরোপুরি উঠে আসেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্ত সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় ৩২ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে পরিচালিত অভিযানে সাউন্ড গ্রেনেড ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের কথাও উঠে এসেছে।
এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তির নাম তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন দাখিলের প্রস্তুতি চলছে এবং শিগগিরই তা জমা দেওয়া হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ বা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই এখন সামনে এসে তাদের দাবি তুলে ধরছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করছেন।
হেফাজতে ইসলামের নেতারাও এই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


