লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. সোহেল রানাকে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে লালমনিরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে পাটগ্রামের ব্র্যাক অফিসের সামনের সড়কে।
সোহেল রানা পাটগ্রাম পৌরসভার মির্জার কোট এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে। পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, ২০১৩ সালে পাটগ্রামে দুটি হত্যা মামলা এবং ২০১৪ সালে একটি হত্যা মামলায় আজ দুপুরে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিকেলে আদালতের নির্দেশে তিনি কারাগারে পাঠানো হয়। ওসি জানান, ‘ঘটনা অনেক দিন আগের। আমি তখন এখানে কর্মরত ছিলাম না।’
লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির আবু তাহের অভিযোগ করেন, গত রোববার পাটগ্রামে জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের ফোন করে কৌশলে ডেকে নিয়ে বিএনপি নেতারা হামলা ও মারধর করেন। পরদিন পুলিশ জামায়াত ও শিবিরের পাঁচ কর্মীকে আটক করে। এর প্রতিবাদে পাটগ্রামে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়, যেখানে নেতৃত্ব দেন সোহেল রানা। তিনি দাবি করেন, এর কারণে প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে পুলিশ আজ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফিরোজ হায়দার বলেন, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে পাটগ্রামে পুলিশের গুলিতে দলের দুজন মনিরুল ইসলাম ও সাজু মিয়া নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দায়ী হিসেবে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা–কর্মীদের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করা হয়। তিনি আরও বলেন, পাটগ্রাম থানার ওসি ২০১৩ সালে দুটি ও ২০১৪ সালে একটি হত্যা মামলায় সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের কথা বলেছেন। তবে তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে সময়সীমা মিলছে না, ২০১৪ সালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো হত্যা মামলা নেই।
সিএ/এমই


