রমজানের শেষ কয়েক দিন সুষম আহার ও স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা আকতার জানান, কম তেল ও কম মসলাযুক্ত সহজপাচ্য খাবার বেছে নেওয়া উচিত।
রোজার সময় পর্যাপ্ত পানি গ্রহণে সচেতন থাকা জরুরি। ছুটির আমেজে শরীরচর্চার নিয়ম ভেঙে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ এড়াতে হবে। একবারে অতিরিক্ত খাবারও খাওয়া উচিত নয়।
সাহ্রিতে গোটা শস্যের তৈরি খাবার যেমন লাল চাল, লাল আটা, ওটস বা কিনোয়া খাওয়া যেতে পারে। এই খাবার দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাবে। এছাড়া ডিম, দুধ বা মাছ-মাংসের মাধ্যমে সাহ্রিতে প্রোটিন নিশ্চিত করা যায়। আঁশযুক্ত খাবার যেমন সবজি, ডাল ও বীজ গ্রহণে কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানো সম্ভব। ঝোলজাতীয় পদ রান্না করলে তেলের ক্ষতি কমবে এবং পানি চাহিদা পূরণ সহজ হবে।
ইফতারে পেট ঠান্ডা রাখার খাবার খাওয়া উচিত। চিড়া, টক দই, ফলমূল এবং কাঁচা সবজির সালাদ রাখা ভালো। ছোলা ও নানান প্রকার পানীয়ও রাখা যেতে পারে।
সিএ/এমআর


