রোজা রাখার ফলে শারীরিক উপকারের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা বর্তমানে বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত। পুরো এক মাস সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে চলার ফলে মানুষের জীবনযাপনে শৃঙ্খলা আসে এবং মানসিক ভারসাম্য গড়ে ওঠে।
রমজান মাসে নিয়মিত ইবাদত, ধ্যান ও আত্মসমালোচনার সুযোগ তৈরি হয়। এতে মানুষের মন আরও ধ্যানমগ্ন হয় এবং দৈনন্দিন ভোগবিলাস থেকে মন সরে গিয়ে আধ্যাত্মিক চর্চার দিকে ঝোঁকে। আত্মসংযম ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আল্লাহর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে, যা মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।
আবেগগত দিক থেকেও রোজার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ সময় সংযমের পর পরিবারের সঙ্গে ইফতারের মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও তৃপ্তির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এটি মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে এবং সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
অভ্যাসগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও রোজা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধূমপান, অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ কিংবা নেতিবাচক আচরণ থেকে বিরত থাকার অনুশীলন রমজানে সহজ হয়। এই সময় মানুষ নিজের খারাপ অভ্যাসগুলো সংশোধনের সুযোগ পায়, যা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্থতায় সহায়ক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজান মাসে আত্মসংযম ও ইতিবাচক পরিবর্তনের এই চর্চা অব্যাহত রাখতে পারলে মানসিক ও শারীরিক উভয় দিক থেকেই উপকার পাওয়া সম্ভব।
সিএ/এমআর


