পবিত্র রমজান মাস শুধু রোজা পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আত্মশুদ্ধি, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সর্বোত্তম সময় হিসেবে এ মাসকে বিবেচনা করা হয়। ইসলামিক স্কলারদের মতে, রমজানে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
হাদিস শরিফে বর্ণিত রয়েছে, রমজানে আদায় করা একটি নফল ইবাদত অন্য সময়ের একটি ফরজ ইবাদতের সমপরিমাণ সওয়াবের অধিকারী হয় এবং ফরজ ইবাদতের সওয়াব সত্তর গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এ কারণেই এ মাসে নফল ইবাদতের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে আলেমরা উল্লেখ করেছেন।
ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান। তাহাজ্জুদ, ইশরাক ও চাশতের নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া-জিকির, দান ও সদকা মুমিনের আমলনামাকে সমৃদ্ধ করে তোলে।
হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা সেই বান্দাকে ভালোবাসেন, যে রাতে জেগে তার কাছে দোয়া করে। পাশাপাশি কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন কুরআন পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, আমি আহ্বানকারীকে তার আহ্বানের জবাব দিই, যখন সে আমাকে ডাকে। এই আয়াত রমজান মাসে বেশি বেশি দোয়া ও জিকির করার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করে।
আলেমদের মতে, রমজানের শেষ দশক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) ইবাদতে অধিক মনোযোগী হতেন এবং পরিবার-পরিজনকেও ইবাদতে উৎসাহিত করতেন। এই দশকের মধ্যেই রয়েছে লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।
সিএ/এমআর


