হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের তথ্যমতে, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ হলো মনোযোগের অভাব। একসঙ্গে অনেক কাজ করতে গেলে মস্তিষ্ক কোনো তথ্যই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না। তাই নতুন কোনো তথ্য শোনার বা দেখার সময় সেটির প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া জরুরি। তথ্য মনে রাখতে বারবার মনে মনে বা জোরে আওড়ানোর কৌশল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, বড় বা জটিল তথ্য মনে রাখতে হলে সেটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা ভালো। যেমন, দীর্ঘ কোনো নম্বর তিন বা চারটি অংশে ভাগ করে মনে রাখা সহজ। আবার নতুন তথ্যের সঙ্গে আগে জানা কোনো ঘটনার সম্পর্ক স্থাপন করলে সেটি দীর্ঘদিন মনে থাকে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যাসোসিয়েশন বলা হয়।
স্মৃতিশক্তির সঙ্গে শরীরের সামগ্রিক সুস্থতারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কে তথ্য গুছিয়ে রাখতে সহায়তা করে। ঘুমের অভাব স্মৃতি ও বিচারবুদ্ধি দুটোকেই প্রভাবিত করে। নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক ব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে।
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রেও সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার, রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল স্মৃতিশক্তির জন্য উপকারী। পাশাপাশি সব তথ্য মস্তিষ্কে জমা না রেখে ক্যালেন্ডার, নোটবুক বা স্মার্টফোন রিমাইন্ডার ব্যবহার করলে মানসিক চাপ কমে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মৃতিশক্তিকে একটি পেশির মতো ধরে নিয়ে নিয়মিত ব্যবহার ও যত্ন নিলে তা ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
সিএ/এমআর


