শহুরে জীবনে ছোট ফ্ল্যাট আর ছোট খাবার ঘর এখন সাধারণ বিষয়। তবে জায়গা ছোট হলেই যে স্টাইল বা স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিতে হবে, তা নয়। বরং পরিকল্পিত নকশা ও সঠিক আসবাব ব্যবহার করলে ছোট খাবার ঘরও হয়ে উঠতে পারে আরামদায়ক ও দৃষ্টিনন্দন।
বর্তমানে অন্দরসজ্জায় মিনিমাল ডিজাইনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। কম আসবাব, হালকা রঙ আর প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানোই এখন মূল ট্রেন্ড। খাবার ঘরে বড় টেবিল-চেয়ারের পরিবর্তে ছোট আকারের টেবিল ও হালকা চেয়ার ব্যবহার করলে জায়গা বাঁচে এবং চলাচলেও সুবিধা হয়।
চেয়ারের বদলে দেয়ালের পাশে ছোট বেঞ্চ রাখলে একদিকে যেমন জায়গা বাঁচে, তেমনি শিশুদের বসার সুবিধাও তৈরি হয়। ড্রাই কিচেন থাকলে চা-কফি, হালকা নাশতা বা অতিথি আপ্যায়নের জন্য আলাদা জায়গা পাওয়া যায়। ওভেন, কফি মেকার ও কিছু প্রয়োজনীয় বাসন রাখার জন্য ছোট কেবিনেটই যথেষ্ট।
ড্রাই কিচেন না থাকলে একটি ডিনার ওয়াগন ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে খাবার বা পানীয় পরিবেশন সহজ হয় এবং প্রয়োজনে সরিয়ে রাখা যায়। আসবাবের ক্ষেত্রে ভারী ডিজাইন ও গাঢ় রঙ এড়িয়ে হালকা রঙ ও সরল নকশা বেছে নেওয়াই ভালো।
খাবার ঘরের পরিবেশ সুন্দর করতে আলো ও সবুজ গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টেবিলের ওপরে ঝুলন্ত ল্যাম্পশেড ব্যবহার করলে ঘরের মুড বদলে যায়। ঘরের এক কোণে কয়েকটি ছোট গাছ রাখলে পরিবেশে আসে সতেজতা ও প্রশান্তি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জায়গা ছোট হলেও প্রয়োজন বুঝে হালকা আসবাব, সঠিক রঙ ও আলো ব্যবহার করলে খাবার ঘর হয়ে উঠতে পারে স্মার্ট, আরামদায়ক ও নিজের মতো করে সাজানো একটি জায়গা।
সিএ/এমআর


