জীবনের দুঃসময়ে মানুষ প্রায়ই ভেঙে পড়ে। কেউ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়, কেউ মানুষের সঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করে শান্তি খোঁজে। অথচ অনেক সময় সমস্যার প্রথম সমাধান হিসেবে আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া হয় না। ইসলামি শিক্ষায় আল্লাহর স্মরণ ও দোয়ার মাধ্যমে অন্তরের প্রশান্তি লাভের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, আল্লাহর জিকির ছাড়া অতিরিক্ত কথা বলো না। কারণ, আল্লাহর স্মরণ ছাড়া বেশি কথা বললে হৃদয় কঠিন হয়ে যায়। আর কঠিন হৃদয়ওয়ালাই আল্লাহ থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে। (তিরমিজি)
তিনি আরও বলেছেন, যে ঘরে আল্লাহর স্মরণ করা হয় আর যে ঘরে করা হয় না—এই দুই ঘরের পার্থক্য জীবিত ও মৃত মানুষের মতো। (মুসলিম)
ইসলামি বর্ণনায় নবী করিম (সা.)-এর শেখানো এমন সাতটি দোয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা প্রত্যেক মুসলমানের জানা ও আমল করা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে সর্বোত্তম জিকির লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং সর্বোত্তম দোয়া আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়া আল্লাহর মহিমা বর্ণনার দোয়া, দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ কামনার দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনার সর্বোত্তম দোয়া, নিরাপত্তার দোয়া, হতাশা ও দুঃখ দূর করার দোয়া এবং অন্তরের প্রশান্তির দোয়ার কথাও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
এই দোয়াগুলো নিয়মিত পড়লে আল্লাহর নৈকট্য লাভ, অন্তরের প্রশান্তি এবং জীবনের দুঃখ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ সহজ হয় বলে বিশ্বাস করেন ধর্মীয় আলেমরা।
সিএ/এমআর


