ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদ্য বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম (হরিণ)-এর নামে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের মরহুম নুরুদ্দিন হায়দারের ছেলে মো. রফিক উদ্দিন রফিক বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় মামলাটি করেছেন।
মামলায় মোর্শেদ আলম ছাড়াও উপজেলার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহ উদ্দিন আহাম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মো. শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার জাহান এমরান, যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমীন রুহুলসহ ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৪-৫ শতাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে উপজেলা বিএনপির অফিসে হামলা চালানো হয়, অফিসের সামনে রাখা একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং মারপিটে কয়েকজন আহত হন।
মামলার বাদী মো. রফিক উদ্দিন পূর্বে কৃষকদল করে থাকেন বলে জানা গেছে। এর আগে ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ভালুকা সদরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির অফিসে হামলা, অফিসের সামনে গাড়ি ভাঙচুর এবং মারপিট করে আহত করার অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। ওই মামলার বাদী ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমীন মাসুদ। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমসহ বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু এবং সদ্য বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে দুইটি শক্তিশালী গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আছে। তারা উপজেলা সদরে আলাদা অফিস থেকে দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি আলাদাভাবে পালন করছে। মোর্শেদ আলম দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ভালুকা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) আবু তাহের জানান, বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ অন্যান্য আসামিদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সিএ/এএ


