শিং, মাগুর বা ট্যাংরা মাছের শিংয়ের আঘাতের যন্ত্রণার কারণ অনেকের কাছে রহস্য। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. আবদুল ওহাব এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুরের ফিশারিজ, বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইমরান পারভেজের মতে, প্রধানত আত্মরক্ষার জন্যই মাছগুলোর মাথার দুই পাশে শিং থাকে।
যদি কেউ মাছ ধরতে চেষ্টা করে, তারা শিং দিয়ে গুঁতো দেয়। শিংয়ের গোড়ায় বিষ থাকে, যা শিং মাছের ক্ষেত্রে জ্বালা ও ব্যথা অনেক তীব্র করে। মাগুর বা ট্যাংরা মাছের বিষ তুলনামূলক কম প্রভাবশালী। শিং মাছের বিষ অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা সংস্পর্শে এলেই স্থানীয় জ্বালা সৃষ্টি করে।
উপশম ও চিকিৎসা:
- কাঁটার স্থান পরিষ্কার ও হালকা গরম পানিতে ধুয়ে অ্যান্টিসেপটিক মলম ব্যবহার করুন।
- অতিরিক্ত সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ প্রয়োজন হতে পারে।
সিএ/এমআর


