নির্বাচন সামনে রেখে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর নামে নতুন প্রতারণার চেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ডুমুরিয়া উপজেলার শলুয়া বাজারে এক নির্বাচনী সভায় তিনি বলেন, ‘১২ তারিখে কোনো লোভ, কোনো ভয়-প্রলোভনে আমরা যেন কান না দিই। এখন আবার আরেক প্রতারণার ফাঁদ পাতছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড। এটা হলো ভুয়া কার্ড।’
তিনি আরও জানান, ইসিকে কার্ড বিতরণের ভিডিও পাঠিয়ে এটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না জানতে চেয়েছেন। এদিন তিনি শলুয়া বাজার ছাড়াও গজেন্দ্রপুর, রামকৃষ্ণপুর, চুকনগর বাজার, আন্দুলিয়া ও কৃষ্ণনগরে পৃথক গণসংযোগ, নির্বাচনী জনসভা ও মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘কার্ড দেখিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। কার্ডে কী পাওয়া যাবে? কেউ বলছে ৪ হাজার টাকা, কেউ বলছে ২০ বা ২১ হাজার টাকা। কেউ বলছে চাল-গম, তেল চিনি, রেশন পাবা। আসলে কী দেবে, কেউ জানে না। ঘোড়ার ডিম দেবে। পুরোটাই ভুয়া।’
তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের ইঙ্গিত করে বলেন, ‘রাস্তার পাশে বাদাম বিক্রি করে, ছোটখাটো দোকানদারি করে—এমন মানুষের কাছ থেকেও চাঁদা তোলা হয়েছে। ৫ আগস্টের পর ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্য চাঁদাবাজি হয়েছে। প্রশ্ন হলো, কারা করেছে? ওই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না। ৫ তারিখের পর শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশ ছেড়ে চলে গেলেন। আওয়ামী লীগ তখন ছিল না। তাহলে দোকান ভাঙচুর, চাঁদাবাজি কারা করল?’
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরপরই খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় চাঁদাবাজি, দোকান ভাঙচুর ও সংখ্যালঘু ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জামায়াত মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী।
সিএ/এএ


