পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ। নামাজের প্রতিটি রুকনেরই রয়েছে আলাদা গুরুত্ব ও ফজিলত। রুকু ও সিজদার দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা, রহমত ও হেদায়েত প্রার্থনা করা হয়। বিশেষ করে দুই সিজদার মাঝের দোয়া এবং রুকু থেকে ওঠার পরের দোয়াগুলো আত্মশুদ্ধি ও বরকতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দুই সিজদার মাঝখানে বসে পড়া যায়—
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে নিরাপত্তা দিন, আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং আমাকে রিজিক দান করুন।
হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝখানে এই দোয়া পাঠ করতেন। সুনানে নাসায়িসহ বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে এ দোয়ার গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।
রুকু থেকে উঠার সময় ইমাম যখন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলেন, তখন মুক্তাদির জন্য “রাব্বানা লাকাল হামদ” বলা উত্তম। আরও ফজিলতপূর্ণ একটি দোয়া হলো— “হামদান কাছিরান তাইয়্যিবান মুবারাকান ফিহ।” নফল নামাজে দীর্ঘ দোয়া পড়ারও অনুমতি রয়েছে বলে ফকিহগণ মত দিয়েছেন।
এই দোয়াগুলো নিয়মিত পড়লে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের আশা করা যায়।
সিএ/এমআর


