দেশে দীর্ঘদিন পর প্রথমবারের মতো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, অতীতে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছে এবং দেশের মানুষ প্রকৃতভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। তবে এবার সে পরিস্থিতি বদলাবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের জাদুঘর প্রাঙ্গণে আয়োজিত গণভোট বিষয়ক সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার বিগত তিনটি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছিল। ভোটাররা ভোট দিতে পারেনি, নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়েছে। এবার ইনশাআল্লাহ দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবে।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দেশ সর্বগ্রাসী ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পাবে এবং ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরশাসকের জন্ম হবে না।
অতীতের নির্বাচন পরিস্থিতি স্মরণ করে তিনি বলেন, আগে ভোটকেন্দ্রের মাঠে ছাগল চরার মতো দৃশ্যও দেখা গেছে। এবার সে ধরনের কোনো সুযোগ নেই। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোটকেন্দ্রগুলো উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় যুক্ত হন, তাহলে উপযুক্ত প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা প্রশাসক ডক্টর মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বক্তব্য রাখেন।
সিএ/এসএ


