হিম শীতে অফিস কিংবা ক্যাজুয়াল পোশাকে ব্লেজারের ব্যবহার বাড়ছে। শার্ট-প্যান্টের পাশাপাশি কুর্তি, শাড়ি কিংবা গাউনের সঙ্গেও ব্লেজার মানিয়ে যায়। এতে তৈরি হয় আধুনিক ফিউশন লুক, যা তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে কর্মজীবীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
এই মৌসুমে বাজারে কালো, ধূসর, নেভি, বিস্কুট, খাকি ও খয়েরি রঙের ব্লেজার দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি হালকা ও গাঢ় নীল স্যুট, ব্ল্যাক স্ট্রাইপ স্যুট এবং বাদামি, অলিভ ও মেরুন রঙের ক্যাজুয়াল ব্লেজারও মিলছে নানা কাটিংয়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লেজার কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফিটিংস। দামি ব্র্যান্ডের ব্লেজার হলেও যদি ফিটিং ঠিক না হয়, তাহলে তা দেখতে ভালো লাগবে না। তাই কেনার আগে কিছু বিষয় খেয়াল করা জরুরি।
কাঁধের মাপ অনুযায়ী ব্লেজার নির্বাচন করা উচিত। কাঁধের সেলাই যেন কাঁধের সঙ্গে ঠিকভাবে মিশে থাকে। ঝুলে থাকা বা কুঁচকে থাকা ব্লেজার এড়িয়ে চলতে হবে। হাতার দৈর্ঘ্য এমন হওয়া ভালো যাতে শার্টের কাফ আধা ইঞ্চি মতো দেখা যায়।
ব্লেজার খুব টাইট বা অতিরিক্ত ঢিলেঢালা হলে চলাচলে অসুবিধা তৈরি হয়। পাশাপাশি কাপড়ের মানও গুরুত্বপূর্ণ। উল, কটন কিংবা ফ্লানেলের মতো মানসম্মত কাপড়ের ব্লেজার দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং সহজে কুঁচকে যায় না।
ট্রায়াল দেওয়ার সময় বোতাম লাগিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁধ, হাতা ও সামগ্রিক ফিটিং পরীক্ষা করা প্রয়োজন। হাঁটা-চলার সময় অস্বস্তি হচ্ছে কি না সেটিও দেখে নেওয়া ভালো।
সিএ/এমআর


