ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্রায় ২৭৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (BNPB)-এর প্রধান সুহারিয়ান্তো এই তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে একই দিনের সকালে মৃতের সংখ্যা ১৭৪ জন বলে জানা গিয়েছিল।
গত এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডে টানা প্রবল বর্ষণ ও ক্রান্তীয় ঝড়ের প্রভাবে বিশাল অঞ্চল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মালাক্কা প্রণালিতে বিরল এক ক্রান্তীয় ঝড়ও সৃষ্টি হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান জানান, ইতিমধ্যে ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সুমাত্রার তিনটি প্রদেশে শত শত মানুষ এখনও আটকা পড়ে রয়েছেন। বিশেষ করে উত্তর সুমাত্রায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে; সেখানে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন। তবে উড়োজাহাজের মাধ্যমে ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
সুহারিয়ান্তো আরও বলেন, উত্তর সুমাত্রার তাপনুলি থেকে সিবোলগা পর্যন্ত সড়কপথ পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসাবশেষ সরানোর পাশাপাশি সড়কে আটকে থাকা মানুষদের খাদ্য ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন। ত্রাণ কার্যক্রমে রোববার থেকে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হবে। তিনি বলেন, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তাপনুলি এলাকায় স্থানীয় কিছু মানুষ ত্রাণসামগ্রী লুটের চেষ্টা করেছিলেন।
মালাক্কা প্রণালির ওপারের থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে পৌঁছেছে। শনিবার দেশটির সরকারের মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স
সিএ/এমআরএফ


