গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ দক্ষিণ কিভুতে চলমান সহিংসতায় এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এই সহিংসতা গত বছরের ডিসেম্বরের শুরু থেকে তীব্র আকার ধারণ করেছে।
কঙ্গো সরকার বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, প্রদেশটির বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে কামানিওলা–উভিরা অক্ষ বরাবর সংঘর্ষের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। সশস্ত্র অভিযানের কারণে ওই অঞ্চলে ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি ঘটেছে। সরকারি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিসেম্বরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত এক হাজার পাঁচশোর বেশি বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
চীনা বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, চলমান নিরাপত্তাহীনতার কারণে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন ধীরে ধীরে দক্ষিণ দিকে সরে যাওয়ায় উভিরা, ফিজি ও মওয়েঙ্গাসহ দক্ষিণ কিভুর একাধিক এলাকা এখন সহিংসতার প্রভাবের মধ্যে রয়েছে।
সরকার এই সহিংসতা বৃদ্ধির জন্য অঞ্চলে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান অঙ্গীকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিরতায় ভুগছে। ২০২১ সালের শেষ দিকে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পুনরুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। কিনশাসা বারবার অভিযোগ করে আসছে, প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডা এই গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে, তবে কিগালি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্র
সিনহুয়া
সিএ/এসএ


