মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর বয়স ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, দেশটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিক মনে করছেন—ট্রাম্প বয়সের কারণে আগের মতো সিদ্ধান্তগ্রহণে তীক্ষ্ণ নন। বিশেষ করে তার ক্ষমতায় ফেরার এক বছরের মধ্যেই এ ধরনের প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
নতুন Reuters–Ipsos জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ শতাংশ নাগরিক বিশ্বাস করেন যে ট্রাম্প এখন কিছুটা ‘খামখেয়ালি’ আচরণ করছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যেও এ ধরনের সন্দেহ বাড়ছে—দলটির ৩০ শতাংশ ভোটার মনে করেন তার মানসিক সক্ষমতা আগেほど শক্তিশালী নেই।
অন্য জরিপেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে যেখানে ৫৪ শতাংশ মার্কিনি ট্রাম্পকে ‘মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ’ বলে মনে করতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫ শতাংশে। একইভাবে CNN–এর এক জরিপে দেখা গেছে, আগে ৫৩ শতাংশ নাগরিক তার শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার ওপর আস্থা রাখতেন, এখন তা নেমে এসেছে ৪৬ শতাংশে।
আরেকটি জরিপ, যা The Washington Post–ABC News পরিচালনা করেছে, তাতে ৫৬ শতাংশ নাগরিক সরাসরি ট্রাম্পের মানসিক তীক্ষ্ণতা নিয়ে নেতিবাচক মত দিয়েছেন। ট্রাম্পের বয়স, সাম্প্রতিক বক্তব্য, জনসমক্ষে তার আচরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় শব্দ গুলিয়ে ফেলার মতো ঘটনা এসব সন্দেহকে আরও জোরদার করেছে।
শুধু মানসিক অবস্থাই নয়—তার শারীরিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। Pew Research Center জানিয়েছে, ট্রাম্পের শারীরিক সক্ষমতায় ‘খুবই আত্মবিশ্বাসী’ এমন মানুষের সংখ্যা ৩৫ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৮ শতাংশে। আইসল্যান্ড ও গ্রিনল্যান্ড (Iceland / Greenland) গুলিয়ে ফেলা কিংবা কিছু অনুষ্ঠানে ঝিমিয়ে পড়ার মতো মুহূর্ত তার সক্ষমতা নিয়ে মানুষের কাছে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশে ধীরগতির কারণে সংশয় আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সিএ/এসএ


