মাঠের ফুটবলে বাংলাদেশের সময়টা ভালো যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারফরম্যান্স ও সামগ্রিক আলোচনায় ২০২৫ সালকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ঘরোয়া ফুটবলের বাস্তবতা এখনো বেশ সংকটপূর্ণ। এরই মধ্যে নতুন করে দুঃসংবাদ এসেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) থেকে। স্পনসরের অভাবে চলতি মৌসুমের একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা যাচ্ছে না।
মৌসুম শুরুর আগে ঘরোয়া ফুটবলে লিগসহ মোট পাঁচটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিল বাফুফে। সেই তালিকায় ছিল বাংলাদেশ ২.০ চ্যালেঞ্জ কাপ, ফেডারেশন কাপ, বাংলাদেশ ফুটবল লিগ, সুপার কাপ ও আরও একটি প্রতিযোগিতা। এর মধ্যে তিনটি টুর্নামেন্ট ইতিমধ্যে মাঠে গড়ালেও শেষ পর্যন্ত বাতিল হচ্ছে কোটি টাকার প্রাইজমানির সুপার কাপ।
বাফুফের অন্দরমহলের তথ্য অনুযায়ী, পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষক না পাওয়ায় সুপার কাপ আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি ও পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান।
তিনি বলেন, ‘শেষ মুহূর্তে পৃষ্ঠপোষক না পাওয়ায় এবার সুপার কাপ আয়োজন করা যাচ্ছে না। একটি টেলিকম কোম্পানি শুরুতে রাজি ছিল। তবে দিনকয়েক আগে তারা না করে দিয়েছে। এখন পরের মৌসুমে এই টুর্নামেন্ট করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’
চলতি মৌসুমে বাফুফে যে পাঁচটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল, তার মধ্যে বাংলাদেশ ২.০ চ্যালেঞ্জ কাপ, ফেডারেশন কাপ ও বাংলাদেশ ফুটবল লিগ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। মধ্যবর্তী দলবদলের সময় সুপার কাপ আয়োজনের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ফেডারেশনকে।
এর আগে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে তিনবার সুপার কাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৩ সালে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়িয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সুপার কাপ ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্পনসর সংকটে সেটি আলোর মুখ দেখল না।
সিএ/এসএ


