২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) থেকে ক্ষতিপূরণ পেতে পারে। পাকিস্তান-ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে চলা বিশ্বকাপের মাঝে লাহোরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও আইসিসির ত্রিপক্ষীয় বৈঠক।
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিগগিরই বড় ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে এবং বাংলাদেশকেও আইসিসি ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং আইসিসি ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা। পাকিস্তানের ‘দ্য ডন’ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের আয়ের অংশ দিয়ে ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকারের ভারত-ম্যাচ বয়কট ঘোষণা দেওয়ায় আইসিসি দুশ্চিন্তায় পড়েছিল। লাহোর বৈঠকে এ বিষয়টি আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল। বৈঠকে পিসিবি সমন্বয়কারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
জিও টিভি সূত্রে জানা গেছে, লাহোর বৈঠকের পরে আইসিসি ও বিসিবি প্রস্তাব বিনিময় করেছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ‘প্রস্তাবিত ফর্মুলার ব্যাপারে একমত হলে আইসিসি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আজ বিকেলে পুনরায় আলোচনা হবে।’
বিসিবি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে অর্থ বা ভবিষ্যতে কোনো আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব হিসেবে। এছাড়া বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের লাভের ভাগ দিতে পারে আইসিসি। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিও একই বিষয় নিশ্চিত করেছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পাকিস্তান তাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বো ম্যাচে অংশ নেওয়ার বিষয়ে রাজি হতে পারে। বৈঠক শেষে বিসিবি সভাপতি বুলবুল ও পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভির হাসিমুখে বিদায় নেন, যা নির্দেশ করছে বৈঠক বৃথা যায়নি।
সিএ/এসএ


