সৌদি প্রো লিগে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১৫ মিনিটে আল নাসর ও আল রিয়াদের মধ্যকার ম্যাচ নিয়ে গুঞ্জন তুঙ্গে। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘আ বোলা’ জানাচ্ছে, আল নাসরের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নিজে এই ম্যাচে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
প্রাথমিক শোনা গিয়েছিল, আগামী শুক্রবার চ্যাম্পিয়ন ইতিহাদের বিপক্ষে বড় ম্যাচের আগে বিশ্রাম নেয়ার জন্য রিয়াদের ম্যাচে রোনালদো খেলবেন না। তবে ভেতরের সূত্রে জানা গেছে, ৩৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের না খেলার পেছনে কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। মূল কারণ আল নাসরের প্রশাসনিক ও বিনিয়োগ নীতিতে অসন্তোষ।
আল নাসরের একটি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) মূলত প্রধান চারটি ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করে। রোনালদো অভিযোগ করেছেন, আল নাসরের তুলনায় প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব আল হিলালকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শীতকালীন দলবদলের বাজারে আল নাসর কেবল একজন নতুন খেলোয়াড়—ইরাকের ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার হায়দার আবদুল করিম—নিয়ে এসেছে, যা রোনালদোর অসন্তোষ বাড়িয়েছে।
দলের প্রশাসনিক কাঠামোতে থাকা দুই পর্তুগিজ কর্মকর্তা—স্পোর্টিং ডিরেক্টর সিমাও কুতিনিও ও সিইও জোসে সেমেদো—র ক্ষমতা চলতি মাসের শুরু থেকে কার্যত কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তও রোনালদোর ক্ষোভ বাড়িয়েছে। তিনি মনে করছেন, আল হিলালের তুলনায় আল নাসর দলবদলের বাজারে পিছিয়ে আছে। উদাহরণস্বরূপ, আল হিলাল ফিওরেন্তিনা থেকে পাবলো মারি এবং তিন কোটি ইউরো খরচ করে রেন থেকে তরুণ ফরাসি ফরোয়ার্ড কাদের মেইতকোকে দলে নিয়েছে।
রোনালদোর এই ‘বয়কট’ আল নাসরের অন্দরমহলের অস্থিরতার প্রথম উদাহরণ নয়। জানুয়ারির মাঝামাঝিতে কোচ জর্জ জেসুস জানিয়েছিলেন, ‘আল নাসরের রাজনৈতিক ক্ষমতা আল হিলালের মতো অতটা নয়।’ এ মন্তব্যের জেরে আল হিলাল কর্তৃপক্ষ জেসুসকে ছয় মাস থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার আবেদন করেছিল।
সিএ/এমই


