স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজ, যোগাযোগ কিংবা বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই নির্ভর করতে হয় নানা ধরনের অ্যাপের ওপর। প্রয়োজন ফুরালে ব্যবহারকারীরা সাধারণত অ্যাপ আনইনস্টল করে নিশ্চিন্ত হন। তবে প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আনইনস্টল করলেই অনেক ক্ষেত্রে অ্যাপের সব কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয় না।
বিভিন্ন অ্যাপ একবার অনুমতি পেলে গুগল অ্যাকাউন্ট বা অন্যান্য ডিজিটাল সার্ভিসের সঙ্গে সংযুক্ত থেকেই যেতে পারে। ফলে অ্যাপটি ফোনের স্ক্রিনে না থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাটা আদান–প্রদানের সুযোগ থেকে যায়। এতে অজান্তেই মোবাইল ডাটা দ্রুত শেষ হওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে ব্যবহারকারীরা মূলত দুটি সমস্যায় পড়েন। একদিকে ডাটা ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থাকে, অন্যদিকে প্রাইভেসি পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে না। তাই শুধু অ্যাপ মুছে ফেলা যথেষ্ট নয়, সংশ্লিষ্ট অ্যাক্সেসও বন্ধ করা জরুরি।
এ জন্য ফোনের সেটিংসে গিয়ে গুগল অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ‘ম্যানেজ ইওর গুগল অ্যাকাউন্ট’ থেকে ‘ডাটা অ্যান্ড প্রাইভেসি’ ট্যাবে গিয়ে ‘থার্ড-পার্টি অ্যাপস অ্যান্ড সার্ভিসেস’ অপশন নির্বাচন করলে সক্রিয় ও আগের ব্যবহৃত অ্যাপগুলোর তালিকা দেখা যাবে। যেসব অ্যাপ আর ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেগুলোর ডাটা শেয়ারিং ও সংযোগ বন্ধ করে দিলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
নিয়মিতভাবে অ্যাপের অনুমতি ও সংযোগ যাচাই করলে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সহজ হয় বলে মত দেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।
সিএ/এমআর


