শিশুর দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, কারণ দুধদাঁত পরে গিয়ে স্থায়ী দাঁতের জায়গা দেয়। সাধারণত শিশুর দাঁত ৬ মাস বয়সে ওঠে, তবে কিছু ক্ষেত্রে জন্মের সময় বা জন্মের এক মাসের মধ্যে দাঁত দেখা দিতে পারে। তবে এই দাঁতগুলো দুর্বল বা এনামেল ঠিকমতো গঠিত না হওয়ায় দ্রুত ক্ষয়ে যেতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় মা যদি অতিরিক্ত চিনি বা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খান, তবে শিশুর দাঁতের এনামেল দুর্বল হতে পারে। ফলে শিশুর দাঁত দ্রুত ক্ষয়ে যেতে পারে।
দাঁতের ওপরের শক্ত আবরণ বা এনামেল জীবন্ত কোষ দিয়ে তৈরি নয়, তাই একবার গর্ত হলে দাঁত নিজে নিজে মেরামত করতে পারে না। প্রাথমিক ক্ষয়ে ফ্লোরাইড বা মিনারেল জমে কিছুটা ঠিক হতে পারে, কিন্তু পূর্ণ মেরামতের জন্য ডেন্টিস্টের সাহায্য দরকার।
দুধদাঁত শুধু খাওয়ার জন্য নয়, স্থায়ী দাঁতের জন্যও জায়গা ধরে রাখে। সময়ের আগেই দুধদাঁত পড়ে গেলে পাশের দাঁতগুলো ফাঁকা জায়গায় হেলে পড়ে, ফলে স্থায়ী দাঁত সঠিকভাবে ওঠে না।
ই-সিগারেট বা মিষ্টি ফ্লেভারযুক্ত ভ্যাপেও চিনি থাকে, যা মুখের ব্যাকটেরিয়া অ্যাসিড তৈরি করে। স্পোর্টস ড্রিংকস ও ডায়েট সোডার উচ্চমাত্রার অ্যাসিড দাঁতের এনামেল গলিয়ে দ্রুত ক্ষয় ঘটায়।
মানুষের দাঁতের ক্রাউন বা দেখা যায় এমন অংশ মোট দাঁতের এক-চতুর্থাংশ বা এক-তৃতীয়াংশ। বাকিটা শিকড় মাড়ির নিচে লুকানো থাকে।
সিএ/এমআর


