Saturday, March 7, 2026
32.3 C
Dhaka

ইউটিউবে ফিরছে নিষিদ্ধ ক্রিয়েটররা

ইউটিউব এবার নিষিদ্ধ হওয়া কিছু ব্যবহারকারীর নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে ভিডিও পোস্ট করার অনুমতি দিচ্ছে। ফলে আগে নিষিদ্ধ হওয়া কিছু ভিডিও পুনরায় প্ল্যাটফর্মে ফিরে আসতে পারে।

গত মাসে ইউটিউব জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে আগের নিষিদ্ধ ব্যবহারকারী এবং তাদের কিছু কনটেন্টকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা হবে। এই পদক্ষেপ আসে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের এক তদন্তের পর, যেখানে অভিযোগ ছিল বাইডেন প্রশাসন নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্ট সরানোর জন্য প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিল।

ইউটিউব জানিয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিমূলক তথ্য এবং ২০২০ সালের মার্কিন নির্বাচন নিয়ে ভুল তথ্য প্রচারের কারণে যে চ্যানেলগুলো বন্ধ হয়েছিল, তারা এখন নতুনভাবে ফিরতে পারবে। কোম্পানি ব্লগ পোস্টে লিখেছে, “অনেক ক্রিয়েটর দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। ইউটিউব ২০ বছরে যেমন বদলেছে, আমাদের কমিউনিটির সঙ্গেও নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে চাই।”

কীভাবে কাজ করবে নতুন নীতি
আগের নিষিদ্ধ ব্যবহারকারীরা তাদের পুরনো অ্যাকাউন্টে লগইন করে “নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরির অনুরোধ” করতে পারবেন। তবে এটি সবাই একসাথে পাবেন না; ইউটিউব ধীরে ধীরে আবেদন গ্রহণ করবে। নিষিদ্ধ হওয়ার কমপক্ষে এক বছর পর ব্যবহারকারীরা আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন যাচাই করা হবে ব্যবহারকারীর পূর্ববর্তী আচরণ, নিয়মভঙ্গের মাত্রা এবং তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্মে কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে। তবে কপিরাইট লঙ্ঘন, ক্রিয়েটর রেসপনসিবিলিটি নীতি ভঙ্গ বা স্ব-চ্যানেল মুছে ফেলার ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

নতুন শুরু, পুরনো ভিডিওর সুযোগ
যাদের আবেদন অনুমোদিত হবে, তারা তাদের পুরনো সাবস্ক্রাইবার বা চ্যানেল ফিরে পাবেন না। তবে চাইলে আগের ভিডিও পুনরায় আপলোড করতে পারবেন, যদি তা ইউটিউবের বর্তমান কমিউনিটি গাইডলাইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। নতুন অ্যাকাউন্ট ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যোগ দিতে পারবে এবং তিন-স্ট্রাইক নীতি তাদের ওপরও প্রযোজ্য হবে।

ইউটিউব জানিয়েছে, এই পরিবর্তন তাদের “স্বাধীন মতপ্রকাশের প্রতিশ্রুতি”র অংশ। সংস্থার মুখপাত্র জানান, “ব্যবহারকারীরা স্পষ্টভাবে বুঝুক কোন নিয়ম ভঙ্গ করলে তারা নিষিদ্ধ হতে পারে।” মেটা সিইও মার্ক জুকারবার্গও জানিয়েছেন, তার কোম্পানি “স্বাধীন মতপ্রকাশে” ফিরে যাচ্ছে এবং আর তৃতীয় পক্ষের ফ্যাক্টচেকারদের ওপর নির্ভর করবে না।

সিএ/এমআর

spot_img

আরও পড়ুন

রোজায় ক্যানসার রোগীদের জন্য চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে...

জরুরি রক্ত না পেয়ে ভোগান্তিতে পাহাড়ি জেলার মানুষ

খাগড়াছড়ি জেলায় জরুরি রক্ত সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায়...

জ্বালানি সংকটের গুজবে পাম্পে বাড়তি ভিড়

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কাকে কেন্দ্র...

কুড়িগ্রামে গৃহবধূ হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা এলাকায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার...

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ঠেকাতে শিশুদের জন্য নতুন আইন কর্ণাটকে

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটক শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের নেতিবাচক...

শচীনপুত্র অর্জুন ও সানিয়ার বিয়েতে তারকাদের জমকালো উপস্থিতি

ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের ছেলে অর্জুন টেন্ডুলকার বৃহস্পতিবার (৫...

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পরিবেশকর্মীর

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পরিবেশকর্মী শফিকুল...

সিরাজগঞ্জের তাঁত পল্লীতে ঈদের উৎসবের প্রস্তুতি, শ্রমিকরা ব্যস্ত শাড়ি তৈরিতে

ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাঁত পল্লিগুলোতে আবারও কর্মচাঞ্চল্য লক্ষ্য...

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে বাঘারপাড়ায় অভিযান

বাজারে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং অবৈধ মজুত...

বিশ্ববাজারে বাড়ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি চলাকালীন...

ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে...

ইবনে তুলুনের রাষ্ট্র ও ইবনে জাওজির জানাজার ইতিহাস

ইসলামের ইতিহাসে ১২ রমজান দিনটি নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী...

পরিকল্পিত গর্ভধারণে কেন দরকার আগে থেকে প্রস্তুতি

আমাদের দেশে অনেক দম্পতি পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত...

ডিএসইর প্রধান সূচক হারাল ৩৫৯ পয়েন্ট, বাজার মূলধন কমেছে ২০৪১৩ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন...
spot_img

আরও পড়ুন

রোজায় ক্যানসার রোগীদের জন্য চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে যেসব নারী জরায়ু, ডিম্বাশয় বা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত এবং চিকিৎসাধীন, তাদের ক্ষেত্রে রোজা রাখা যাবে...

জরুরি রক্ত না পেয়ে ভোগান্তিতে পাহাড়ি জেলার মানুষ

খাগড়াছড়ি জেলায় জরুরি রক্ত সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসূতি রোগী, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি...

জ্বালানি সংকটের গুজবে পাম্পে বাড়তি ভিড়

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের হঠাৎ ভিড় বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাজধানীসহ কয়েকটি এলাকায়...

কুড়িগ্রামে গৃহবধূ হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা এলাকায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রংপুর র‌্যাব-১৩ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির...
spot_img