অস্ট্রেলিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর দেশে ফিরে নিজের ভিসা বাতিল হওয়ার খবর পাওয়ার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণে গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে জরুরি কাজে দেশে ফিরে আসেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণে গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলাম আমি। এরপর একটি জরুরি কাজে গত শনিবার দেশে ফিরে এসে তাতে মনোযোগ দিয়েছি। আজ (৬ এপ্রিল) সকালে জানতে পারলাম, আমার ভিসা বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও সিডনিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম।
তিনি আরও লেখেন, ভিসাসংক্রান্ত লেটারটি ছিল অনেকটাই আনুষ্ঠানিক। সেখানে উল্লেখ ছিল, আবেদনকারী যে উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন তা সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি ফিরে এসেছেন। ফলে ভিসার উদ্দেশ্য আর বহাল নেই। গণমাধ্যমে বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা লেটারে প্রতিফলিত হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শায়খ আহমাদুল্লাহ দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিরোধী রাজনীতিক সামাজিক মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, কিছু ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠী তার বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ ও বিকৃত অনুবাদ প্রচার করেছে, যা সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য যাচাই এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামোফোবিক কনটেন্টের অভিযোগে এক ইসরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারের ভিসা বাতিলের ঘটনাও আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছে।
শেষে তিনি বলেন, কোনো ধর্ম, জাতি বা গোষ্ঠীর প্রতি আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিদ্বেষ নেই। বরং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যেকোনো অন্যায় আচরণেরও আমরা বিরোধিতা করি।
সিএ/এমআর


