মানুষের শরীর বিভিন্ন কারণে অপবিত্র হতে পারে, যা থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য কখনো অজু, আবার কখনো গোসল করা প্রয়োজন হয়। স্ত্রী সহবাস, স্বপ্নদোষ বা নারীদের হায়েজ-নেফাস শেষে গোসল ফরজ হয়ে যায়।
এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব গোসলের মাধ্যমে পবিত্র হওয়া উত্তম। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘সেখানে এমন লোক আছে, যারা উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করতে ভালোবাসে। আর আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১০৮)
গোসল ফরজ অবস্থায় নামাজ আদায়, কোরআন স্পর্শ বা তিলাওয়াত, মসজিদে অবস্থান কিংবা কাবা তাওয়াফ করা নিষিদ্ধ। তবে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন মাসনুন দোয়া পড়া যাবে।
এই অবস্থায় কোরআনের আয়াত তিলাওয়াত করা না গেলেও অন্যান্য দোয়া পাঠে কোনো বাধা নেই। যেমন, ঘুমানোর দোয়া, জেগে ওঠার দোয়া বা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় দোয়া পড়া যেতে পারে।
হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, প্রয়োজন হলে গোসল দেরিতে করা যায়, তবে নামাজের সময় যেন না পার হয়ে যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে অজু করে নেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।
ধর্মীয় নির্দেশনা অনুযায়ী, দ্রুত পবিত্র হওয়া উত্তম হলেও অযথা ভয় বা বিভ্রান্তির কোনো কারণ নেই। গোসল ফরজ অবস্থায় কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও দোয়া পড়া থেকে বিরত থাকার প্রয়োজন নেই।
সিএ/এমআর


