পবিত্র মাহে রমজান মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই মাসের শেষ দিনগুলো বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এ সময় আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাত লাভের সুযোগ আরও বেশি থাকে।
ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, রমজানের শেষ দশ দিন মূলত জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের সময়। এ সময় আল্লাহর বান্দাদের ওপর রহমত বর্ষিত হয় এবং মুমিন মুসলমানরা বেশি বেশি ইবাদত, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।
এই দশকের মধ্যেই রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই অনেক মুসল্লি এই সময় ইতিকাফে বসেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য গভীর মনোযোগ দিয়ে ইবাদতে সময় কাটান।
তবে সমাজের একটি অংশ রমজানের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কেনাকাটা ও বাজারে সময় কাটান বলে অনেকে মন্তব্য করেন। এতে করে ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ অনেকেই হারিয়ে ফেলেন।
ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, রমজান মাস মানুষের হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করার একটি বিশেষ সুযোগ এনে দেয়। এই মাস যদি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন না আনে, তাহলে সেই সুযোগ কাজে লাগানো হয়নি বলেই ধরা হয়।
রমজানের শেষ প্রান্তে এসে মুসলমানদের উচিত নিজেদের আমলের হিসাব করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে জীবনকে তাকওয়ার আলোকে পরিচালিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার করা।
সিএ/এমআর


