ইস্তিগফার অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং তওবা অর্থ ফিরে আসা। মানবমাত্রেই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। মানুষ ভুল করে, আবার সেই ভুল থেকে ফিরে আসার পথও আল্লাহ খুলে রেখেছেন। পবিত্র রমজান মাস গুনাহ মোচন ও আত্মশুদ্ধির অনন্য সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।
প্রথম মানুষ আদম (আ.) ভুল করার পর তওবা করেছিলেন। পরম ক্ষমাশীল ও দয়ালু আল্লাহ তাআলা তাঁর তওবা কবুল করেছিলেন। আল্লাহ বান্দার ভুলত্রুটি, পাপ ও অপরাধ ক্ষমা করেন এবং ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, বান্দা ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহ আজাব দূর করে দেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, সব মানুষই অপরাধী, তবে উত্তম তারা যারা তওবাকারী।
হাদিসে আরও এসেছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা দূর করেন এবং অচিন্তনীয় স্থান থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও প্রতিদিন বহুবার ইস্তিগফার পাঠ করতেন, যদিও তিনি ছিলেন নিষ্পাপ।
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত দোয়াগুলোর মধ্যে সাইয়েদুল ইস্তিগফারকে শ্রেষ্ঠ দোয়া বলা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় বিশ্বাসের সঙ্গে এই দোয়া পাঠ করে এবং ওই দিন মৃত্যুবরণ করে, সে জান্নাতের অধিকারী হবে।
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজানে আল্লাহ অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন। তাই এই মাসে তওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সিএ/এমআর


