একজন রোজাদারের জন্য ইফতারের মুহূর্তটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এই সময়কে রোজাদারের আনন্দের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইফতারকে অর্থবহ ও বরকতময় করতে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা।
মাগরিবের আজান শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ইফতার করা সুন্নত। ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করা উচিত নয়। নামাজের আগে অল্প কিছু দিয়ে ইফতার করলে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায় এবং ইবাদতে মনোযোগ বাড়ে।
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ভারী খাবার দিয়ে ইফতার শুরু না করাই উত্তম। খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। খেজুর না থাকলে পানি দিয়েই ইফতার শুরু করা যেতে পারে। এরপর পরিমিত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা উচিত। অতিভোজন শরীর ও ইবাদত—দুটোর জন্যই ক্ষতিকর।
ইফতারের সময় দোয়া পড়া, বিসমিল্লাহ বলা, ডান হাতে খাওয়া, নিজের কাছের খাবার থেকে শুরু করা এবং ধীরে ধীরে খাওয়ার মতো সুন্নতগুলো পালন করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ইফতারের সময় দোয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এই সময় দোয়া কবুলের অন্যতম মুহূর্ত।
অন্যকে ইফতার করানোও একটি ফজিলতপূর্ণ কাজ। হাদিস অনুযায়ী, অন্যের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করলে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়। প্রতিবেশী, আত্মীয় কিংবা অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানো রমজানের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।
সিএ/এমআর


