ইন্দোনেশিয়া এপ্রিলের মধ্যেই গাজায় প্রথম দফায় এক হাজার সেনা পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে এই সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, জুনের মধ্যে মোট আট হাজার সেনা প্রস্তুত রাখা হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
এর আগে ইন্দোনেশীয় সেনাপ্রধান জানান, গাজায় পাঁচ হাজার থেকে আট হাজার সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো আলোচনাধীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে বলেছে, এই সেনা মোতায়েনকে ইসরাইলের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি জনগণের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বা জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যেকোনো উদ্যোগ ইন্দোনেশিয়া প্রত্যাখ্যান করে। প্রস্তাবিত সেনা মোতায়েন হবে সম্পূর্ণ অ-যুদ্ধভিত্তিক ও মানবিক ম্যান্ডেটের অধীনে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে।
ইন্দোনেশীয় সেনারা কোনো যুদ্ধ অভিযানে বা সরাসরি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন না বলেও জানানো হয়েছে। তবে স্থিতিশীলতা বাহিনীর ম্যান্ডেটে গাজা উপত্যকার নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম বড় সেনা প্রেরণকারী দেশ। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মিশনে দেশটির দুই হাজার সাতশোর বেশি সেনা মোতায়েন রয়েছে। ফিলিস্তিনের প্রতি দেশটিতে জনসমর্থনও ব্যাপক।
সিএ/এমআর


