ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে ব্যক্তিগত ইবাদত থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত সব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। নেতা নির্বাচন ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত, যার ওপর সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ নির্ভর করে।
ইসলামের দৃষ্টিতে নেতৃত্ব শুধু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি একটি ঈমানি দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনে আমানত যথাযথ ব্যক্তির কাছে অর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নেতা নির্বাচন না করলে তা বিশ্বাসঘাতকতার শামিল বলে বিবেচিত।
কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী নেতৃত্বের জন্য প্রধান দুটি গুণ হলো দক্ষতা ও আমানতদারি। বংশ, দলীয় স্বার্থ বা আর্থিক প্রভাব নয়; বরং নৈতিকতা, যোগ্যতা ও আল্লাহভীতি নেতৃত্ব নির্বাচনের মূল মানদণ্ড হওয়া উচিত।
ইসলামে নেতৃত্বের লোভ নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। যে ব্যক্তি ক্ষমতা কামনা করে, তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বরং যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদানই ইসলামের নীতি।
নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব হলো ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতার চর্চা। একই সঙ্গে ভোট প্রদানও ইসলামের দৃষ্টিতে সাক্ষ্য ও আমানত হিসেবে বিবেচিত। সঠিক নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব বলে ইসলামি চিন্তাবিদরা মনে করেন।
সিএ/এমআর


