জুমার দিন বা শুক্রবার মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে বহু বর্ণনা রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন অন্যান্য দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহ তাআলার কাছে এটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার চেয়েও মহান।
এই পবিত্র দিনে কিছু কাজ থেকে বিশেষভাবে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো, জুমার আজানের পর দুনিয়াবি কাজকর্মে লিপ্ত থাকা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মুমিনদের নির্দেশ দিয়েছেন, জুমার নামাজের আহ্বান হলে সব ধরনের বেচাকেনা ও লেনদেন পরিহার করে আল্লাহর স্মরণের দিকে অগ্রসর হতে।
দ্বিতীয়ত, মসজিদে দেরিতে এসে অন্য মুসল্লিদের কাতার ডিঙিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করা। জুমার খুতবার সময় এভাবে মানুষকে কষ্ট দেওয়া গুনাহের কাজ। এক হাদিসে রাসুল (সা.) কাতার ডিঙিয়ে সামনে যেতে চাওয়া ব্যক্তিকে বলেন, বসে পড়, তুমি দেরি করেছ এবং মানুষকে কষ্ট দিচ্ছ।
তৃতীয়ত, জুমার খুতবার সময় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। খুতবা শোনা ওয়াজিব। এমনকি কাউকে চুপ কর বলাও অনর্থক কথা হিসেবে গণ্য হয়। হাদিসে বলা হয়েছে, খুতবার সময় যে ব্যক্তি কথা বলে, সে সওয়াব থেকে বঞ্চিত হয়।
এ কারণে আলেমরা বলেন, জুমার দিনের আদব ও নিয়ম মেনে চললে এই দিনের বরকত ও ফজিলত পূর্ণভাবে লাভ করা সম্ভব।
সিএ/এমআর


