পুরুষদের চুলের স্বাস্থ্যের জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুল পড়া বা টাক পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। বাজারে থাকা কেমিক্যালযুক্ত পণ্য চুলের গোড়া দুর্বল করে এবং টাক পড়ার গতি বাড়িয়ে দেয়।
সঠিক যত্নের জন্য এসেনশিয়াল অয়েল অত্যন্ত উপকারী। জেরেনিয়াম অয়েল মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে এবং চুলকানি ও সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। ২ চা চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে ৫ ফোঁটা জেরেনিয়াম অয়েল মিশিয়ে ১৫ মিনিট মাথার ত্বকে মাসাজ করলে নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হয় এবং নতুন চুল গজানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
টি ট্রি অয়েল চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দেয় এবং খুশকির সমস্যা কমায়। প্রতি শ্যাম্পুর বোতলে ১০-১৫ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে গোসলের সময় ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পায়।
পেপারমিন্ট অয়েল মানসিক চাপ ও দৈনন্দিন চাপজনিত চুল পড়ার সমস্যা কমায়। নারিকেল বা অলিভ তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে আলতোভাবে মাসাজ করলে নতুন চুল গজানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
ল্যাভেন্ডার অয়েল চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুলের মসৃণতা ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
সিএ/এমআর


