ঈদ-পরবর্তী সময় ঘোরাঘুরি ও বাইরের খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। এ সময় রাস্তার খাবার, ভাজাপোড়া বা অপরিষ্কার পরিবেশে প্রস্তুত খাবার গ্রহণের কারণে অনেকেই খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। এতে বমি, পেট ব্যথা ও হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, প্রাথমিক অবস্থায় কিছু ঘরোয়া উপায়েই এ ধরনের সমস্যা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। শরীর থেকে টক্সিন বের করে হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক করতে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান কার্যকর ভূমিকা রাখে।
খাদ্যে বিষক্রিয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অপরিষ্কার পানি, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, খাবারে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণ এবং কাঁচা বা অপরিষ্কার খাদ্য উপাদান। সালমোনেল্লা ও ই কোলাইয়ের মতো ব্যাকটেরিয়াও এ ধরনের সমস্যার জন্য দায়ী।
এই অবস্থায় আদা ও মধু মিশ্রিত গরম পানি পান করলে বমিভাব কমতে পারে। আদা ও মধুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
এছাড়া রসুন মিশ্রিত পানি অল্প অল্প করে পান করলে তা শরীরের সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। কলা খেলে শরীরের পটাশিয়াম ঘাটতি পূরণ হয় এবং দুর্বলতা কমে।
জিরা ভেজানো পানি হজমে সহায়তা করে এবং প্রদাহ কমায়। পাশাপাশি ঈষদুষ্ণ পানিতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে বিষক্রিয়ার প্রভাব দ্রুত কমতে পারে।
তবে সমস্যা গুরুতর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


