আধুনিক জীবনযাপনে ওজন নিয়ন্ত্রণ অনেকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত মেদ জমলেও তা কমানো সহজ নয়। ডায়েট ও নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন কমানোর মূল উপায় হলেও রাতের খাবারের ধরনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ ঘুমের সময়ও শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। তাই ডিনারে সঠিক খাবার নির্বাচন করলে ওজন কমানোর প্রচেষ্টা আরও ফলপ্রসূ হতে পারে।
ডিম প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি খাবার। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে একটি সেদ্ধ ডিম খাওয়া যেতে পারে। এটি পেশির পুনর্গঠনে সহায়তা করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। ফলে মাঝরাতে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমে।
মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে থার্মোজেনেসিস প্রক্রিয়া সক্রিয় করে, যা ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে। তাই ডিনারে পরিমিত ঝাল খাবার রাখা যেতে পারে। কুসুম গরম পানিতে সামান্য মরিচ গুঁড়া মিশিয়েও পান করা যায়।
আপেল সিডার ভিনেগারও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে পরিচিত। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মিশিয়ে ঘুমের প্রায় ৩০ মিনিট আগে পান করলে বিপাক হার বাড়তে পারে।
ড্যান্ডেলিয়ন বা ক্যামোমাইলের মতো ভেষজ পানীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। এগুলো ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সহায়তা করে এবং ঘুমের মান বাড়ায়। ঘুমের আগে এই ধরনের পানীয় পান করলে শরীর আরাম পায় এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়ামের সঙ্গে এসব খাবার যুক্ত করলে ওজন নিয়ন্ত্রণ তুলনামূলক সহজ হতে পারে।
সিএ/এমআর


