ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দরজিবাড়িগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। ঈদের পোশাক তৈরির অর্ডার এখন এক মাস আগেই শুরু হয়ে গেছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পোশাকের নকশা ও সেলাইয়ের খরচে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। কোথাও ঢিলেঢালা আরামদায়ক পোশাকের চাহিদা বেশি, আবার কোথাও প্যানেলওয়ালা সিল্ক বা সিনথেটিক কামিজই বেশি বানানো হচ্ছে।
গাউছিয়া এলাকায় সুতির সালোয়ার-কামিজ বানাতে খরচ পড়ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। ইনারসহ কামিজ বানালে মজুরি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হচ্ছে। ব্লাউজের ক্ষেত্রে পানপাতা, হাই নেক ও ভি-নেক ডিজাইন বেশি দেখা যাচ্ছে। এখানে ব্লাউজ সেলাইয়ের মজুরি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
ধানমন্ডি এলাকায় সেলাই ছাড়া থ্রি-পিস কাপড় কিনে ক্যাটালগ দেখে ডিজাইন বেছে নেওয়ার প্রবণতা বেশি। লম্বা কাটের কামিজ ও সোজা কাটের প্যান্টের চাহিদা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই এলাকায় সুতির সালোয়ার-কামিজ সেলাই করতে খরচ পড়ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। ইনারসহ কামিজ বানাতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। ব্লাউজ সেলাইয়ের খরচ ৭০০ টাকা, আর ইনারসহ ব্লাউজ বানাতে লাগে প্রায় ১ হাজার ৩০০ টাকা।
গুলশানে এবারের ঈদে সারারা ও গারারা স্টাইলের প্যান্টের সঙ্গে খাটো কুর্তার চাহিদা বেশি। লম্বা ও ঢিলেঢালা হাতার কামিজ এবং প্যানেলযুক্ত নকশা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এখানে সাধারণ সুতি থ্রি-পিস সেলাইয়ের খরচ শুরু ১ হাজার টাকা থেকে, যা ডিজাইন ও প্যানেল অনুযায়ী ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
বনানী এলাকায় পাকিস্তানি ক্যাটালগ ড্রেস ও ভারতীয় সেলাই ছাড়া পোশাকের চাহিদা বেশি। ফারসি সালোয়ার, বেলবটম প্যান্ট ও ডিভাইডার স্টাইল এখানে জনপ্রিয়। সুতির পোশাক সেলাইয়ের খরচ শুরু ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে, আর বেশি ডিজাইন থাকলে তা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
উত্তরা ও মিরপুর এলাকাতেও সুতির পোশাকের চাহিদা বেশি। খাটো কামিজের সঙ্গে ফারসি সালোয়ার বা পালাজ্জো, আবার কেউ কেউ খাটো কামিজ জিনস বা গ্যাবার্ডিন প্যান্টের সঙ্গে পরছেন। মিরপুর এলাকায় সুতির থ্রি-পিস বানাতে খরচ পড়ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা। ব্লাউজ সেলাইয়ের মজুরি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।
সিএ/এমআর


