সমাজে বয়সভিত্তিক কিছু অলিখিত মানদণ্ড গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে ৩০ বছর পার হলেই বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় অনেককেই। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী কিংবা বন্ধুবান্ধব—সবার কাছ থেকেই আসে একই প্রশ্ন, ‘এখনো বিয়ে করোনি কেন?’
বাস্তবতা হলো, বিয়ে জীবনের একটি অংশ মাত্র। কেউ ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত, কেউ নিজের পছন্দের সঙ্গী খুঁজছেন, আবার কেউ ব্যক্তিগত লক্ষ্য পূরণে মনোযোগী। তবুও সামাজিক চাপে অনেক সময় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন প্রশ্নের জবাব দিতে গেলে বিরক্ত না হয়ে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা জরুরি। শুরুতে হাসি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া গেলেও বারবার একই প্রশ্ন এলে নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানানো উচিত।
কিছু সম্ভাব্য উত্তর হতে পারে—
আমি আমার জীবন নিয়ে খুশি, এখনো বিয়ের জন্য প্রস্তুত নই।
আমি সঠিক মানুষটির জন্য অপেক্ষা করছি।
আমার কিছু ব্যক্তিগত কারণ আছে, যা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না।
এত তাড়াহুড়োর কী আছে? ভালো মানুষ খুঁজতে তো সময় লাগবেই।
তোমরা আমার জন্য ভালো মানুষ খুঁজে দাও না!
তবে উত্তর দেওয়ার সময় সম্পর্কের গভীরতা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধুদের সঙ্গে হালকা মজা করে বলা গেলেও অফিস বা আত্মীয়দের ক্ষেত্রে বিনয়ী ও সংযত থাকা ভালো। কেউ যদি বারবার একই প্রশ্ন করে এবং তা বিরক্তিকর হয়ে ওঠে, তাহলে সরাসরি কিন্তু ভদ্রভাবে জানিয়ে দেওয়া যায়—আপনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না।
৩০ পেরিয়ে অবিবাহিত থাকা মানেই ব্যর্থতা নয়। বরং নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকা এবং আত্মবিশ্বাসী থাকা—এটাই সবচেয়ে বড় জবাব।
সিএ/এমআর


