শিশুর প্রথম জুতা শুধু দৈনন্দিন প্রয়োজন নয়, এটি আনন্দ এবং দায়িত্ববোধের স্মৃতি তৈরি করে। শিশুর পা দ্রুত বাড়ে, তাই ভুল জুতা ভবিষ্যতে হাঁটার ভঙ্গি, পায়ের গঠন এবং শরীরের ভারসাম্যে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
জুতা কেনার সময় রং ও নকশার সঙ্গে সঙ্গে আরাম, সঠিক মাপ ও ব্যবহারিক দিকও বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘাম ও ধুলাবালির কারণে জুতার মান গুরুত্বপূর্ণ।
স্কুলের জুতা হতে হবে টেকসই, সহজে পরিষ্কারযোগ্য এবং হালকা ওজনের, যাতে শিশুরা দীর্ঘ সময় স্বাচ্ছন্দ্যে খেলাধুলা ও হাঁটাচলা করতে পারে। ‘নন-স্লিপ সোল’ থাকা শিশুর জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জুতার ভেতরে সামান্য জায়গা রাখলে পা বড় হলেও জুতা ব্যবহার করা যায়, তবে অতিরিক্ত ঢিলা না হওয়া উচিত।
দামের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি হলেও মানসম্মত জুতা বেছে নেওয়াই ভালো, যাতে শিশুর পা জুতার চেয়ে বড় হয়ে গেলে তা সহজে প্রতিস্থাপন করা যায়।
সিএ/এমআর


