শিশুদেরও প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে। মূত্রনালিতে ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশ, জন্মগত সমস্যা, মূত্রনালির সংকীর্ণতা, পাথর বা টিউমার থাকলে এ ধরনের ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা না হলে জটিলতা বাড়তে পারে।
প্রস্রাবে সংক্রমণের লক্ষণ হিসেবে ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা, তলপেটে ব্যথা, মূত্র লালচে হওয়া, বমি বমি ভাব, জ্বর, অস্বস্তি ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। রক্ত ও মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ইউরিন অ্যালকালাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে, যা প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে।
শিশুকে নিয়মিত বেশি পানি পান করানো, প্রস্রাবের বেগ চেপে না রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ। ফলমূল ও শাকসবজি খেলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে মধু ও লেবুর রস দেওয়া যেতে পারে এবং মসলাদার খাবার, চা-কফি এড়িয়ে চলা ভালো।
যদি এসব ব্যবস্থা নেওয়ার পরও প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়, তলপেটে তীব্র ব্যথা হয় বা জ্বর না কমে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। জন্মগত মূত্রনালির সমস্যা থাকলে নিয়মিত চিকিৎসা প্রয়োজন। সংক্রমণ কিডনি বা অন্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করাতে হতে পারে।
সিএ/এমআর


