বলিউডে কোরিওগ্রাফার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা ফারাহ খান পরবর্তীতে পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেত্রী হিসেবে সাফল্য অর্জন করেছেন। ‘ম্যায় হুঁ না’ এবং ‘ওম শান্তি ওম’-এর মতো সুপারহিট ছবি পরিচালনা করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে বলিউডের সবচেয়ে প্রভাবশালী মহিলা ডিরেক্টরদের মধ্যে তিনি একজন।
ফারাহ খানের জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অধ্যায় হলো তাঁর প্রেম জীবন। ২০০৪ সালে ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবির সেটে ফারাহর সঙ্গে ছবির সম্পাদক শিরীষ কুন্দেরের পরিচয় হয়। শুরুতে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া এবং মতবিরোধ থাকলেও, এই সৃজনশীল দ্বন্দ্ব পরবর্তীতে গভীর প্রেমে রূপ নেয়।
শিরীষের খোলামেলা স্বভাব ও সততা ফারাহকে আকৃষ্ট করে। এক পার্টিতে শিরীষ তাঁর ভালোবাসা স্বীকার করলে ফারাহ আত্মসমর্পণ করেন। তারা ধর্ম ও বয়সের পার্থক্য উপেক্ষা করে ৯ ডিসেম্বর, ২০০৪ সালে তিনটি ভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন—প্রথমে আইনিভাবে নিবন্ধিত বিবাহ, তারপর ইসলামিক রীতি অনুসারে নিকাহ এবং পরে হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ে।
চার বছর পর, ২০০৮ সালে, ফারাহ ও শিরীষের পরিবারে তিন সন্তান আসে—জার, দিভা এবং আনিয়া। ফারাহ যখন ৩৯ বছর বয়সী ছিলেন, তখন শিরীষ ছিলেন ৩১, অর্থাৎ আট বছরের ছোট। বলিউডে এটি তখন বিতর্কের বিষয় হলেও গত ২১ বছর ধরে দম্পতি একটি আদর্শ বিবাহিত জীবন যাপন করছেন, প্রমাণ করে যে প্রেমে বয়স কোনো বাধা নয়।
বর্তমানে, ৬১ বছর বয়সী ফারাহ ও ৫২ বছর বয়সী শিরীষ তাদের জীবনের সবচেয়ে সুখী সময় কাটাচ্ছেন। তাঁদের তিন সন্তান এখন প্রাপ্তবয়স্ক এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে রয়েছেন।
সিএ/এএ


