“কেন শিখব বিতর্ক?”—এ প্রশ্নটা খুবই মৌলিক, কারণ বিতর্ক শুধু কথা বলার শিল্প নয়, বরং চিন্তা, বিশ্লেষণ এবং আত্মবিশ্বাসের মেলবন্ধন। চলুন ধাপে ধাপে দেখি, কেন বিতর্ক শেখা জরুরি:
১. যুক্তি ও বিশ্লেষণ শক্তি বৃদ্ধি করে:
বিতর্ক শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বা যেকোনো ব্যক্তি শেখে কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয়, কোন তথ্য প্রমাণসাপেক্ষ এবং কোন যুক্তি দুর্বল। এটি ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং বা বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ায়।
২. আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে:
মঞ্চে দাঁড়িয়ে, শ্রোতাদের সামনে বক্তব্য দেওয়ার অভ্যাস আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। এটি সাধারণ জীবনের যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা দেয়।
৩. কমিউনিকেশন স্কিল উন্নত করে:
সরাসরি মানুষের সামনে যুক্তি উপস্থাপন করা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং বিরোধীদের বক্তব্যের বিপরীতে প্রতিক্রিয়া জানানো—সবই ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ায়।
৪. সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা উন্নত করে:
বিতর্কে বিষয়ভিত্তিক সমস্যার সমাধান খোঁজা হয়। তাই এটি শিক্ষার্থীদের বা তরুণদের পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সমাধান বের করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৫. সামাজিক সচেতনতা ও তথ্যচেতনতা তৈরি করে:
বিতর্কে অংশ নিতে হলে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করতে হয়। ফলে, শিক্ষার্থী বা অংশগ্রহণকারীরা সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি—সব দিকের সঙ্গে পরিচিত হয়।
সারসংক্ষেপে, বিতর্ক শেখা মানে শুধু মঞ্চে ভালো কথা বলা নয়, বরং এটি মস্তিষ্ক, মন এবং ভাষা—তিনটাই প্রস্তুত করে জীবনের যেকোনো চ্যালেঞ্জের জন্য।
যদি চাও, আমি তোমার জন্য “কেন শিখব বিতর্ক” নিয়ে ছোট্ট প্রেজেন্টেশন বা মূল পয়েন্টে সাজানো লিস্ট বানিয়ে দিতে পারি, যা স্কুল বা কলেজে কাজে লাগবে।
চাও কি আমি সেটা বানাই?
সিএ/এসএ


