দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে এলপিজি আমদানিতে নতুন নীতি ও ঋণ সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরবর্তীতে গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারে বোতলজাত করা হয়। এই প্রক্রিয়ার কারণে স্থানীয় আমদানিকারকদের সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও সংশ্লিষ্ট পরিচালন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে একটি নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়।
সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের অধীনে আমদানির জন্য যোগ্য একটি শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হবে। সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের শর্তে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেয়া যেতে পারে। এর ফলে আমদানিকারকরা দীর্ঘ মেয়াদি ক্রেডিট সুবিধা নিয়ে এলপিজি আমদানির কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
এছাড়া, সরবরাহকারীদের কাছ থেকে ট্রেড ক্রেডিট গ্রহণের পাশাপাশি অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধি ও বিচক্ষণ ঋণনীতির আওতায় বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতার ক্রেডিট সুবিধা গ্রহণের ব্যবস্থা করতে। পাশাপাশি বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধা নেওয়ার সুযোগও থাকবে।
এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে ২৭০ দিনের ইউজান্স পিরিয়ড সুবিধা ঘোষণা করেছিল। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুযোগ ভোগ করতে পারবেন। এই নির্দেশনা দেশের সব অনুমোদিত ডিলারদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
সিএ/এসএ


